মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০১৫

সালাতের ফরজ ওয়াজিব ও নামাজ ভঙ্গের কারণ

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০১৫
সালাতের ফরজ সমুহঃ
 সালাত শুরুর পূর্বে:-
১. শরীর পাক
২. কাপড় পাক
৩. সালাতের জায়গা পাক
৪. সতর আবৃত করা
৫. কেবলামুখী হয়ে দাঁড়ানো
৬. নিয়ত করা এবং
৭. ওয়াক্ত মত সালাত আদায় করা ।
সালাত শুরুর পর:-
১. তাকবীরে তাহরীমা বলে সালাত শুরু করা
২. কেয়াম বা দাড়ানো
৩. কেরাত পড়া
৪. রুকু করা
৫. সেজদা করা এবং
৬. সালাতে শেষ বৈঠকে বসা এবং সালাম ফিরানো।
কোন ফরজ ছুটে গেলে সালাত হবে না । পুনরায় নামায আদায় করতে হবে ।

সালাতের ওয়াজিবঃ

 নিম্নে সালাতের ওয়াজিব সমুহ বর্ননা করা হলো। ওয়াজিব সমুহ হলো:
১. সুরা ফাতিহা পুরা পড়া
২. সুরা ফাতিহার সাথে অন্য সুরা মিলানো
৩. রুকু ও সেজদায় দেরী করা।
৪. রুকু হতে সোজা হয়ে দাঁড়ানো
৫. দুই সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসা
৬. দর্মিয়ানী বৈঠক ( ২রাকাত নামায হলে এক বৈঠক, ৩ রাকাত নামায হলে ২ বার বৈঠক এবং ৪ রাকাত নামায হলে ২ বার বৈঠক করা)
৭. বৈঠকে আত্তাহিয়াতু (তাশাহহুদ) পড়া।
৮. ইমামের জন্য ক্বিরাত আস্তে পড়া( জোহর ও আসর নামায) এবং জোরে পড়া(ফজর, মাগরিব, ইশা)
৯. বিতরের সালাতে দোয়া কুনুত পড়া।
১০. দুই ঈদের সালাতে অতিরিক্ত তাকবির বলা।
১১. প্রত্যেক ফরয সালাতের প্রথম ২ রাকাতকে ক্বিরাতের জন্য ঠিক করা।
১২. প্রত্যেক রাকাতের ফরজগুলির তারতীব ঠিক রাখা।
১৩. প্রত্যেক রাকাতের ওয়জিবগুলির তারতীব ঠিক রাখা।
১৪. আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ বলে নামায শেষ করা ।
ওয়াজিব ছুটে গেলে সিজদা সাহু দিতে হবে । না হলে সালাত শুদ্ধ হবে না ।

নামাজ ভঙ্গের কারণ সমূহঃ
১. সালাতে কিরাত ভূল পড়া ।
২. সালাতের ভিতর কথা বলা
৩. কোন লোককে সালাম দেওয়া
৪. সালামের উত্তর দেওয়া
৫. ঊহ-আহ শব্দ করা
৬. ইচ্ছা করে কাশি দেওয়া
৭. আমলে কাসির করা (এমন কাজ যা অন্য কেউ দেখলে মনে হবে এই ব্যাক্তি সালাতে নেই, অন্য কাজ করছে। যেমন, এদিক-ওদিক তাকানো, হাসাহাসি করা, অনেক্ষণ ধরে গা চুলকানো)
 ৮. বিপদে অথবা বেদনায় শব্দ করে কাঁদা
৯. তিন তাছবীহ পড়ার সময় পরিমাণ সময় ছতর খূলে থাকা
১০. মূকতাদী ছাড়া অন্য কারো থেকে সালাত সম্পর্কিত কোন শব্দ গ্রহণ করা
১১. নাপাক জায়গায় সিজদাহ করা
১২. কিবলার দিক হতে সিনা ঘুরে যাওয়া
১৩. সালাতে কুরআন শরীফ দেখে পড়া
১৪. সালাতে শব্দ করে হাসা
১৫. হাঁচির উত্তর দেওয়া
১৬. সালাতের সময় খাওয়া অথবা পান করা
১৭. ইমামের আগে দাঁড়ানো
এবং আল্লাহই ভাল জানেন ।
আল্লাহ আমাদের পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতের সাথে আদায়ের তৌফিক দিন, আমিন ।
কৃতজ্ঞতায়ঃ ইসলামঃ আপনার জিজ্ঞাসার জবাব - Ask Islam

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন