রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৩

দারসুল কুরআন উপস্থাপনের পদ্ধতি

রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৩
মাক্কী যুগের প্রথম দিক থেকেই শুরু গিয়েছিল  রাসুল সা. এর বিপ্লবী দাওয়াতের বিরোধীতা করার কাজ। তাই বলে তিনি কুরআনের প্রশিক্ষণ বন্ধ করে রাখেননি। বরং সাহাবী হযরত আরকাম ইবনুল আবিল আরকামের বাড়িতে নিয়মিত চলত কুরআন চর্চা। বর্তমানেও আমাদের শত প্রতিকূলতার মাঝেও কুরআন চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। কুরআনের শিক্ষাকে সমাজে ছড়িয়ে দিতে হলে প্রয়োজন এর ব্যাপক চর্চা, অনুশীলন ও গবেষণা। তারই একটি ধারা হল দারসুল কুরআন উপস্থাপন।
আশার কথা হলো, বাংলাদেশে ইসলামপন্থী ব্যাংক, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদিতে ইসলামী আন্দোলনের ভাইয়েরা দারসুল কুরআনের মত সুন্দর কুরআন চর্চার ধারাটি বজায় রেখেছেন। এছাড়াও কুরআন ক্লাস ও কুরআন তালিমকে কেন্দ্র করে বা বিভিন্ন সাংগঠনিক, পারিবারিক বৈঠকেও দারসের আয়োজন করা যেতে পারে।
দারস উপস্থাপন হলে যা যা করা প্রয়োজন -
১. বিশুদ্ধ উচ্চারণে নির্বাচিত আয়াতগুলো তিলাওয়াত।
২. তিলাওয়াতকৃত অংশের হুবহু সরল অনুবাদ
৩. সংশ্লিষ্ট সূরার নামকরণের তাৎপর্য
৪. তিলাওয়াতকৃত অংশের শানে নুজুল বা অবতীর্ণ হবার প্রেক্ষাপট । সময় থাকলে সম্পূর্ণ সূরার পটভূমি আলোচনা।
৫. আলোচ্য অংশের বিষয়বস্তু। সময় বেশি থাকলে সমগ্র সূরার বিষয়বস্তু।
৬. (পারলে) প্রতিটি শব্দের অর্থ ভেঙ্গে ভেঙ্গে বলা।
৭. আয়াত ও বিশেষ বিশেষ শব্দ ও শব্দসমষ্টির ব্যাখ্যা।
৮. পয়েন্টভিত্তিক শিক্ষা।
৯. আয়াতের পটভূমির আলোকে সমসাময়িক পরিস্থিতির তুলনা তুলে ধরে শিক্ষার বাস্তবায়ন পদ্ধতি ও করণীয় তুলে ধরা।

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন